যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন তাদের জন্য উপবৃত্তি আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ১৭ই মে ২০২৬ থেকে ১৪ই জুন ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ওয়েবসাইট হতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে এই তথ্যগুলি জানা যায়।
উক্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীনে যে সকল কলেজ রয়েছে সেখানে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও সমমান প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত মেধাবী এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অধীনে টিউশন ফি সহ নানা সুবিধার জন্য উপবৃত্তির আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহে প্রার্থীদেরকে অবশ্যই নির্ধারিত ওয়েবসাইট অনুযায়ী উল্লেখিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
উপবৃত্তি আবেদনের জন্য ওয়েবসাইট: https://estipend.pmeat.gov.bd/
আবেদন সম্পন্ন হলে মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা সকল তথ্য গুলি যাচাই-বাছাই উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। তারপর শিক্ষার্থী উপবৃত্তির আবেদনের অনুমোদন হলেই নির্ধারিত অর্থ এবং নির্ধারিত সময় পরপর শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আমরা জানি প্রতিবছরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য শিক্ষার্থী অনার্স বা সমমান পর্যায়ে ভর্তি হয়। চলতে শিক্ষাবর্ষেও ভর্তি প্রক্রিয়া ইতিমধ্য শুরু হয়েছে এবং প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা বেশ মেধাবী এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল। পরিবারের পক্ষে সম্ভব হয় না ভালোভাবে পড়াশোনার খরচ চালানো। তাইতো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করছে সরকার। আপনি যদি এই উপবৃত্তির জন্য একজন প্রার্থী হয়ে থাকেন তাহলে দেরি না করে আজই আবেদন সম্পন্ন করুন।
অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি আবেদন করতে কি কি প্রয়োজন হবে?
প্রথমত শিক্ষার্থীর
• শিক্ষাবর্ষ
• প্রতিষ্ঠানের নাম
• অনার্স বাস স্নাতকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর
• এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর
• এইচএসসি রোল নম্বর প্রয়োজন হবে অনলাইনে আবেদন করতে।
তাছাড়াও একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে যেটির মাধ্যমে করতে কর্তৃপক্ষ যে কোন প্রয়োজনে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এখানে আরো একটি উল্লেখ্য বিষয় হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ুয়ার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য অবশ্যই নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে হবে। উপবৃত্তির আবেদনের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী অবশ্যই ৭৫ পার্সেন্ট উপস্থিতি থাকতে হবে। আর যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল তার তার বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত হবেন না। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
