যেকোনো কাজ শুরু করার আগে সেটি সম্পর্কে এনালাইসিস করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যেসব ভুল করবেন না, সেটি জানা প্রত্যেকের জন্যই খুবই জরুরী। এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো সম্পর্কে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে সচেতন না হলে পরবর্তীতে সফলতা অর্জন করা খুবই কঠিন। তাইতো আপনি যদি এভাবে সাথে একজন মুক্ত পেশাজীবী হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার করতে চান তাহলে নিচের লিখাটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যেসব ভুল করবেন না
১. নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন না করা
ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেখে আমরা কোন ধরনের দক্ষতা না অর্জন করেই কাজে লেগে পড়ার চেষ্টা করি। আর সাথে সাথে আশা করি ডলার ইনকামের। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন স্কিল না শেখে আপনি আর যাইহোক ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সফল হতে পারবেন না।
২. কাজ এড়িয়ে চলা
আপনি যে ধরনের কাজ শিখেছেন হুবহু সেই কাজেই যে সবসময় ক্লায়েন্ট আপনাকে দিবে এ বিষয়টি এমন নয়। কাজের মধ্যে হয়ে কিছু ভিন্নতাও থাকতে পারে। এই ক্ষেত্রে অনেক ফ্রিল্যান্সার সেটা এড়িয়ে চলে যা কিনা ক্যারিয়ারের জন্য মারাত্মক ভুল। কাজের ক্ষেত্রে আপনি যত বেশি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন সফলতার সম্ভাবনাও তত বাড়তে থাকবে।
৩. পোর্টফলিও না থাকা
নিজের কাজ এবং অভিজ্ঞতার একটি সুন্দর পোর্টফলিও থাকা উচিত। এটি ক্লায়েন্টকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
৪. মার্কেট সম্পর্কে না অজানা
বর্তমান মার্কেটপ্লেসে কোন কাজের চাহিদা কেমন এবং কোন কাজে কি ধরনের রেট পাওয়া যায় তার সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী।
৫.ইন্টারনেট দক্ষতা কম থাকা
যেহেতু এই পেশায় ঘরে বসে কাজ করতে হয় তাই পুরোটাই ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট চালনায় ভালো ধারণা থাকতে হবে। কাজের সব আপডেট ভালোভাবে ইন্টারনেটে খোজ খবর নিতে হবে।
৬. যোগাযোগের দক্ষতা
আপনার কমিউনিকেশন স্কিলই বলে দেবে কাজে কতটা দক্ষ হতে পারেন। তাই বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাই দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। বায়ারের সাথে দূরত্ব রেখে কাজ করাও দুর্বল কমিউনিকেশনের লক্ষণ।
৭. ধৈর্য হারিয়ে ফেলা
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পর নতুন ফ্রিল্যান্সাররা সবচাইতে বেশি ভুল করে থাকে এই পর্যায়ে এসে। প্রথম কিছুদিন কাজ না পেলে কিংবা কম কাজ পেলে হতাশ হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত কাজে ছেড়ে দেয়। কিন্তু কখনই হতাশ হওয়া যাবে না হতাশ।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু আগে যেসব ভুল করবেন না তার সম্পর্কে তো আপনারা জানলেন। এর সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যেই কাজে এক্সপার্ট আপনি হন না কেন সেই কাজের ভালো একটি স্যাম্পল তৈরি করুন এবং নিজের ব্র্যান্ডিং করতে থাকুন।
ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে?
আমাকে অনেক প্রশ্ন করে থাকেন যে ভাই ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে? আমি মূলত তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এই অংশটি লিখা যুক্ত করেছে। তাই প্রত্যেকটি পয়েন্ট আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে?
আমাকে অনেক প্রশ্ন করে থাকেন যে ভাই ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন কোন দক্ষতা লাগে? আমি মূলত তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এই অংশটি লিখা যুক্ত করেছে। তাই প্রত্যেকটি পয়েন্ট আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কম্পিউটার দক্ষতা
একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার বিষয়ে বেসিক নলেজ থাকতে হবে। বর্তমান যুগে কম্পিউটার জানা থাকা খুবই স্বাভাবিক স্কিল। আপনার যদি কোনরকমই কারিগরি কিংবা কম্পিউটার নলেজ না থাকে তাহলেও কোন সমস্যা নেই। খুব অল্প সময়েই এগুলো শেখা সম্ভব। তবে মোটামুটি অফিস এক্সেল, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, কম্পিউটারের বেসিক অন্যান্য অপশন গুলো জানা থাকলে শেখা খুব দ্রুত সম্ভব হবে।
যোগাযোগের দক্ষতা
যদিও এই পয়েন্টটি নিয়ে আমি উপরে একবার আলোচনা করেছি, অধিক গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেটা নিয়ে আবারো বলছি। অনলাইনে কথা বলা, ক্লায়েন্টের সাথে চ্যাটিং করা কিংবা ভিডিও কলে কথা বলার জন্য অবশ্যই আপনার বিশেষ দক্ষতা থাকতে হবে। এই বিষয়ে আপনি ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও পাবেন। যেখান থেকেও যোগাযোগ সম্পর্কে ভালো একটা প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।
ধৈর্য ও সমস্যার সমাধানের চেষ্টা
চ্যালেঞ্জিং কাজ করার জন্য প্রয়োজন প্রচন্ড ধৈর্য এবং সমস্যার সমাধানের চেষ্টা থাকা। কারণ ভাই আপনাকে কাজ দিবে এবং সেই কাজটি সম্পন্ন করার বিনিময়ে আপনি পারিশ্রমিক পাবেন। তাই কখনোই নিজের ইচ্ছার স্বাধীন কাজ করা যাবে না। এতে করে আপনি মার্কেটে বেশি দিন টিকতে পারবেন না।
মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ধারনা
আপওয়ার্ক, ফাইবার, ফ্রিল্যান্সারসহ অনেক মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এ সকল মার্কেটপ্লেসে কোন কোন ধরনের কাজ পাওয়া যায়, কিভাবে এই কাজগুলো রিসিভ করতে হয় এবং ডেলিভারি দিতে হয় সে সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে। কারণ পূর্ব ধারণা না থাকলে কাজের সময় গিয়ে আপনি এলোমেলো করে ফেলতে পারেন।
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের সাধারণ ভুল
সদ্যই যারা ফ্রিল্যান্সিং শেখে মার্কেটপ্লেসের কাজ করতে আসে সে সকল নতুন ফ্রিল্যান্সারদের সাধারণ ভুলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তারা একসাথে অনেক স্কিল দেখানোর চেষ্টা করে। এটা কি আমি সহজ ভাষায় বলবো ওভার কনফিডেন্স। কিন্তু এতে করে কাজ তো বেশি পাওয়া যায় না বরং বায়ারের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। কেউ একজন সব বিষয়েই তখন হবে এমনটি সাধারণত হয় না।
আবার অনেকের প্রোফাইল কিংবা গিগ অনেকটাই অগোছালো থাকে যা কিনা বায়ারদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলার কারণ। এই সমস্যার সমাধানে একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা উপস্থাপন করতে হবে এবং সুন্দর ছবি ও বর্ণনা সহকারে প্রোফাইলটি সাজাতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় কাজের রেট খুব বেশি না চেয়ে ধীরে ধীরে সেটিকে বাড়াতে থাকেন।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হওয়ার কারণ
এই পেশাটি তরুণদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও নতুনদের জন্য এটি অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং। জব ফ্লেক্সিবিলিটি, টেকসই ইনকাম ইত্যাদি কারণে অনেক প্রফেশনালি এই সেক্টরের দিকে ঝুঁকছেন। তবে যাই হোক এটি একটি চ্যালেঞ্জিং রাস্তা। এখানে একজন প্রতিনিয়ত বা তাদের সম্মুখীন হতে পারেন এবং ব্যর্থতার দিকে ধাবিত হতে পারেন। তবে আমরা এখন এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা কিনা একজন ফ্রিল্যান্সিংয়ে ব্যর্থ হওয়ার কারণ হতে পারে। চলুন শুরু করি।
সঠিক ডিরেকশনের অভাব
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পর প্রথমদিকে একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার প্রতিযোগিতার সমুদ্রে হারিয়ে যেতে পারে এবং ডিরেকশনের অভাবে যারা কাজও ভুল করে বসে থাকতে পারে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে আপনি যে সেক্টরের কাজ করেন সেই সেক্টরে অভিজ্ঞ একজনকে খুঁজে নেওয়া।
মার্কেট এক্সপার্ট
একজন এক্সপার্ট আপনাকে যেমন কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে ঠিক তেমনি ভাবে ফ্রিল্যান্সিং জগতে এই কোড ইন জায়গায় টিকে থাকতে উৎসাহ দেবে।
মার্কেট রিসার্চ
সঠিকভাবে মার্কেট রিসার্চ না করতে পারা অন্য নতুনদের ফ্রিল্যান্সিংএ ব্যর্থ হওয়ার কারণ। কেউ যদি ক্লায়েন্টদের কাছে ১০০ ডলারের কাজ ৫০ ডলার চেয়ে বসে থাকে সেটিও যেন তার জন্য ক্ষতির ঠিক তেমনি ভাবে ৫০ ডলারের কাজ ১০০ ডলার ডিমান্ড করলেও ফ্রিল্যান্সারের জন্য ক্ষতি। তাই আপনার স্কিল দিয়ে যে সকল কাজ করতে পারবেন সে সকল কাজের রেট ও মার্কেট ডিমান্ড দুটোই সবসময় বিবেচনায় রাখতে হবে। মনে রাখবেন কাজের জন্য সঠিক প্রাইস নির্ধারণ করার ফিন্যান্সের সফল হওয়ার অন্যতম একটি চাবিকাঠি।
অতিরিক্ত আশা করা
আমরা সবাই কোন না কোন কাজ শেখার পরে আশা করি যে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারব। কিন্তু শুরুর দিকেই আনরিয়েল এক্সপেক্টেশন করা একটি সাধারন সমস্যা। একজন হাই পারফরমেন্স ফ্রিল্যান্সার ক্যারিয়ার গড়তে একটি লম্বা হওয়া অতিক্রম করতে হবে। তাই অতিরিক্ত এক্সপেকটেশন আপনাকে একটি ডিমোটিভেট করতে পারে ।
এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য আপনাকে সব সময় বাস্তববাদী হতে হবে। কাজ শুরু করার আগে ব্রেনে সেট করবেন যে আপনি এখনো সফল নন আপনাকে অনেক সময় মার্কেটে কাজ করতে হবে।
টাইম ম্যানেজমেন্ট
যেহেতু বাসায় বসে কাজ করতে হয় এবং সব সময় কাজের ব্যাপারে প্রেশার দেওয়ার কেউ থাকে না তাই আমরা ইচ্ছা স্বাধীন হয়ে পড়ি। দিন শেষে গিয়ে দেখা যায় কাজের ডেড লাইন মিস হয়ে গিয়েছে অথবা শেষের দিকে কাজের চাপ পড়ে গিয়েছে।
তাই নিজের একটি হার্ড টাইম ম্যানেজমেন্ট রুটিন তৈরি করা অবশ্যই জরুরি। নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যর্থ হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে এটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক সময়ে কাজ ডেলিভারি
মার্কেটপ্লেসে বায়ারদের থেকে কাজ নেওয়ার সময় সেটির একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। যে নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যেও কাজটা ডেলিভারি দিতে হবে। নতুনদের অনেকেই হয়তোবা মনে করতে পারেন যে এই ডেলিভারি ডেট আমি হয়তো বা ১ বা ২ দিন এমনিতেই বাড়িয়ে নিতে পারবো। কিন্তু এই পন্থাটি সম্পূর্ণ আন প্রফেশনাল। কাজটি রিসিভ করার সময় অবশ্যই আপনি হিসাব করে নিবেন যে সর্বোচ্চ কতদিন সময় লাগতে পারে। তারপর সে সম্ভাব্য ডেট হতে এক বা দুই দিন বাড়িয়ে নিন। এতে করে কখনোই কাজের ডেলিভারি ডেট মিস হবেনা এবং আপনার ভাই আরো আপনার বিষয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হবে।
কাজ না পাওয়ার মূল সমস্যা
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে অনলাইনে অফলাইনে বিভিন্ন প্লাটফর্ম হতে আমার ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য কাজ শিখে থাকি। কিন্তু কাজ শেখার পর অনেকেরই একটি কমন সমস্যা হচ্ছে কাজ না পাওয়ার সমস্যা। একই জায়গা থেকে কাজ শেখে কেউ কেউ এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই কাজ পেয়ে যান আবার কেউ কেউ কয়েক মাসেও কাজ পান না।
এখানে একটা মজার বিষয় হচ্ছে নতুনরা কাজ না পেয়ে যতটা হতাশ হয় তার চাইতে বেশি হতাশ দেখা যায় ক্লায়েন্টদের মধ্যে। কারণ তারাও হয়তো বা তাদের চাহিদা মতো একজন দক্ষ কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না। আপনার কাছে এটি আজও মনে হলেও আমি এই ধরনের ঘটনা অনেক দেখেছি। বারবার পোস্ট করেও কাজের জন্য উপযুক্ত লোক খুঁজে পাইনি।
তাহলে কাজ না পাওয়ার মূল সমস্যাটা কোথায়
ধরুন আপনার কোন বন্ধু মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতনে কোন একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। এর জন্য তাকে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে নিয়ে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত সাধারণ ডিউটি এবং মাঝে মাঝে ওভারটাইমও করতে হয়।
এদিকে আপনি চাচ্ছেন বাসায় বসে থেকে মাসে লক্ষ টাকা ইনকাম করবেন কিন্তু কাজ করবেন মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘন্টা। এটা কি কখনো সম্ভব?
এর জন্য আপনাকেও অবশ্যই আপনার ওই বন্ধুটির মতই টাইম মেইনটেইন করে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যখন একই কাজ বারবার করবেন তখন সেটিতে দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং কাজ করার সম্ভাবনা বৃদ্ধি হয়ে থাকবে।
কাজ না পাওয়ার বিষয়ে আমাদের কিছু অভিজ্ঞতা
আন্তর্জাতিক বড় বড় মার্কেটপ্লেস হতে কাজ পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার কিছু কাজের স্যাম্পল থাকতে হবে। আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার, এসইও এক্সপার্ট, প্রোগ্রাভার, ওয়েব ডেভেলপার বা যাই হোন না কেন কমপক্ষে ৫ টি কাজের স্যাম্পল দিয়ে আপনার পোর্টফলিও সাজাতে হবে।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন হতে পারে নতুন অবস্থায় আমি এই কাজের স্যাম্পল কোথায় পাবো। এজন্য আপনি নিজেই কয়েকটি প্রজেক্ট বানিয়ে নিতে পারেন। অথবা অলরেডি মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন এমন কারো সহযোগিতায় ৫ টা প্রজেক্ট আপনি নিতে পারেন। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ইন্টার্নশিপ করারও সুযোগ পাওয়া যায়। সেখান থেকেও যুক্ত করতে পারেন কয়েকটি কাজ আপনার প্রোফাইলে।
ফাইবার ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসে থেকে কাজ পাওয়ার জন্য অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করাও অত্যন্ত জরুরী। সেখানে একটি প্রোফাইল সাজানোর জন্য অনেক অপশনে দেওয়া থাকে। চেষ্টা করবেন সবগুলো অপশনে ফিলাপ করার।
আরো একটি সমস্যা
আমাদের আরও একটি কমন সমস্যা হচ্ছে ২ বা ৩ টি বিড করেই ধারণা করে নেই এবার কাজ পেয়ে যাব। কিন্তু আন্তর্জাতিক এই মার্কেট গুলোতে অনেক খুব দক্ষ কর্মী থাকে এ সকল কাজের বিট করার জন্য। তাই তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করে একটি কাজ পাওয়ার জন্য নিজেকে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি ধৈর্য সহকারে বিড করতে হবে।
আমাদের শেষ কথা
সব সময় নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী হন। অমুক ওয়েবসাইটে বিড করলে কাজ পাওয়া যায়, অমুক কাজের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে, ওই কাজটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে এগুলো মানুষের শোনন কথার ফাঁদে পা দিবেন না। আপনার কোন সিদ্ধান্ত নেবার আগে অবশ্যই সেটা সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করে নিবেন। কারণ মনে রাখবেন, যেকোনো কথা বলা খুব সহজ কিন্তু বাস্তবের পক্ষে সেটা সম্পূর্ণ করা ততটাই কঠিন। পরিশ্রম ছাড়া আপনার চেহারা যত সুন্দর হোক না কেন কিংবা যোগ্যতায় যাই হোক না কেন কেউ এক টাকাও আপনাকে দেবে না। তাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে এই ভুলগুলো হতে সাবধান।